সদ্য পৃথিবীতে আগত শিশুমন প্রতিনিয়তই নতুন কিছু জানতে চায়, শিখতে চায়। শিশুর কমল মন যেন নতুন কিছুকে গ্রহণ করার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকে। মনের আকুলতা থেকে তারা ছুড়তে থাকে একটার পর একটা প্রশ্ন। জানতে চায় বিভিন্ন সাফল্য ও ব্যর্থতার গল্প। তাদের এই কৌতূহল মেটানোর জন্য তৈরি হয়েছে অদ্ভুত সব কল্পকাহিনি; যেগুলোতে না আছে কোনো উপদেশবাণী, আর না আছে তার সত্যতা।…
দ্বীনকে সহজতর উপায়ে মানুষের নিকট তুলে ধরতে ইলমুল ফিকহে যে চারজন ইমামের অবদান সর্বাধিক, তাঁরা হলেন— ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালেক, ইমাম শাফেয়ি ও ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল (রহ.)। এ চার ইমামের জীবন ও কর্মই সংক্ষিপ্তরূপে বর্ণিত হয়েছে মাআল আইম্মাহ-এর প্রতিটি পৃষ্ঠায়। এর সুরভিত পাঠ পাঠককে নিয়ে যাবে বহুকাল আগের সেই সোনালি যুগে—যেখানে তাঁরা বেড়ে উঠেছেন, ইলম অন্বেষণ করেছেন এবং…
বিপ্লবী এক জীবনদর্শন। যার পরশে বদলে যায় মানুষের অন্তর্গত সত্তা। নবিজির জানের দুশমন হয়ে ওঠে ইসলামি জাহানের খলিফা। ডাকাত পরিণত হয় আল্লাহর ওলিতে। সাধারণ এক ক্রীতদাস জায়গা করে নেয় যুগশ্রেষ্ঠদের মিছিলে। এ যেন আশ্চর্য এক জিয়নকাঠি! মানুষের মৃতপ্রায় বিবেককে জাগিয়ে তোলে। শরীরের প্রতিটি লোমকূপে জাগায় অপার্থিব শিহরন। সেই বৈপ্লবিক জীবনব্যবস্থার নাম ইসলাম। আর এর সংবিধান হলো আল কুরআন। হেরা পর্বতের…
মুসলিম হিসেবে আমাদের নিকট ইসলামের প্রথম দাবিটিই হলো বিশ্বাস। এক মহাপরাক্রমশালী সত্তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধীনে চলছে এ বিশ্বজগৎ। তিনি দৃশ্যমান নন, কিন্তু একজন বিশ্বাসী গোটা সৃষ্টিকুলের মাঝে অনুভব করেন তাঁর প্রবল অস্তিত্ব। এই বিশাল সৃষ্টিরাজির মহাবিস্ময় দেখে বিশ্বাসী মন অজান্তেই বলে ওঠে—নিশ্চয় কেউ একজন আছেন, যিনি দৃশ্যকল্পের অন্তরাল থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন সবকিছু।
অন্তরে প্রশান্তির প্রধান উপায় হলো—ইবাদত। রাসূলে আকরাম (সা.) ও সম্মানিত সাহাবিগণ ইবাদতের বদৌলতেই লাভ করেছিলেন সাকিনাতুল ক্বলব বা শান্তিময় অন্তর। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপকেই তাঁরা সাজিয়েছিলেন ইবাদতের রুপালি মোড়কে। আনুষ্ঠানিক ইবাদতসমূহকে তাঁরা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে যথাসময়ে, সঠিক নিয়মে পালন করতেন। তাঁদের দেখানো নিয়মে এই ইবাদতসমূহ পালন করাই একজন মুসলিমের প্রধান কর্তব্য। ইসলামের আনুষ্ঠানিক ইবাদতসমূহের মধ্যে প্রধান হলো—নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত।
পরম সুখের আবাস জান্নাত থেকে দুনিয়ায় নামিয়ে দেওয়া হলো আমাদের আদি পিতা-মাতা আদম-হাওয়া (আ.) দম্পতিকে। প্রথম মানবসংসারের গোড়াপত্তন হলো পৃথিবীর বুকে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ল মানুষ। গড়ে উঠল ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি। আল্লাহ তাঁর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মানুষের জন্য পথনির্দেশিকা পাঠালেন। যারা এই নির্দেশিকা অনুসারে চলবে, তারা ফিরে পাবে জান্নাত; আদমের আদিম ঠিকানা।
নিজেকে সফল করা কোনো ছোট্ট কাজ নয়। ওমর খৈয়ামের ভাষায়, ‘ধূসর মরুর ঊষর বুকে বিশাল যদি শহর গড়ো, একটি জীবন সফল করা তার চাইতে অনেক বড়ো।’ কী দুর্ভাগ্য! বস্তুগত উন্নতি নিয়ে মানুষের কতশত গবেষণা; গ্রহ- গ্রহান্তরে অভিযান। শুধু নিজের ব্যাপারেই সে উদাসীন! ১৯৪১ সালে ডেল কার্নেগি দুশ্চিন্তাহীন নতুন জীবন বইটি লিখতে তথ্য সংগ্রহের জন্য নিউইয়র্কের পাবলিক লাইব্রেরির সাহায্য নেন। সেখানে তিনি…
আপনার চারপাশে কি এমন কেউ আছে, যে ইসলাম সম্পর্কে একেবারই অজ্ঞ; কিন্তু জানতে চায় ইসলামকে একদম শুরু থেকে? এমন কেউ কি আছে, যে গোমরাহির কালো অধ্যায় শেষে নতুন করে ইসলামের ছায়াতলে ফিরতে চায়; কিন্তু জানে না ইসলামের মৌলিক বিধিবিধান জানার যাত্রা কীভাবে শুরু করবে? আপনার পরিবারে কি কিশোর বালক-বালিকা রয়েছে, যাদের হাতে-কলমে শেখাতে চান ইসলামের মৌলিক ইবাদাতসমূহের নিয়মকানুন, প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-মাসায়েলসহ…
নাস্তিকদের উত্থাপিত যাবতীয় প্রশ্ন, অভিযোগ আর আপত্তির প্রতি উত্তর নিয়েই রচিত হলো 'জবাব'। চিন্তাশীল, ভাবনা জাগানিয়া গবেষণাধর্মী লেখার সমৃদ্ধ একটি সংকলন এটা। প্রানোচ্ছলে ভরপুর একঝাঁক তরুণ লেখকের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল এই গ্রন্থ।
নাস্তিক আর সংশয়বাদীদের ইসলাম নিয়ে তোলা প্রশ্নগুলি যে অযৌক্তিক ও অজ্ঞানতা প্রসূত, বইটিতে লেখক তা খুব সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। ‘সাজিদ’ নামে একজন বিশ্বাসী চরিত্র অংকন করে অভিনব পদ্ধতিতে নাস্তিকদের এইসব যুক্তিগুলোকে খন্ডন করার প্রয়াস নি:সন্দেহে লেখকের লেখনী শক্তির বিশেষ পরিচায়ক যা পাঠকদেরকে একঘেয়েমিতা মুক্তভাবে চিরন্তন এক মহা সত্যের সামনে নিয়ে যায় অবলীলায়!